সোমবার, ৭ অক্টোবর, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার জানান যে, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ১৫ অক্টোবর বেলা ১১টায় প্রকাশিত হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে বাতিল হওয়া এইচএসসি ও সমমানের ছয়টি পরীক্ষার ফল সাবজেক্ট ম্যাপিং পদ্ধতি অনুযায়ী প্রস্তুত করা হবে। এই পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের নম্বর নির্ধারণের জন্য জেএসসির প্রাপ্ত নম্বরের ২৫% এবং এসএসসির প্রাপ্ত নম্বরের ৭৫% যোগ করা হবে।
পূর্বে, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন যে, বাতিল হওয়া ছয়টি পরীক্ষার ক্ষেত্রে জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার নম্বরের গড় নির্ধারণ করা হবে। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে জেএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ২৫% এবং এসএসসিতে প্রাপ্ত নম্বরের ৭৫% যোগ করে ফল প্রস্তুত করা হবে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো শিক্ষার্থী জেএসসিতে ১০০ নম্বর পেয়ে থাকে, তবে সেখানে থেকে ২৫ নম্বর এবং একই বিষয়ে এসএসসিতে ১০০ নম্বর পেলে ৭৫ নম্বর নেওয়া হবে। এই দুটি নম্বর যোগ করলে ওই বিষয়ে শিক্ষার্থীর HSC পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর ১০০ হবে।
চলতি বছর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয় ৩০ জুন, যা ১৬ জুলাই পর্যন্ত সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়। তবে কোটা আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১৮ জুলাইয়ের পরীক্ষা এবং পরবর্তীতে ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাইয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এই সময়ে রাজনৈতিক পরিবর্তনের মতো উল্লেখযোগ্য ঘটনাও ঘটে।
বিভিন্ন স্থানে হামলার কারণে সেসব এলাকার প্রশ্নপত্রের ট্রাঙ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ফলে বাকি পরীক্ষাগুলোর তারিখ একাধিকবার পরিবর্তন করা হয়। সম্প্রতি নতুন তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি গ্রুপ শিক্ষার্থী স্থগিত পরীক্ষাগুলো বাতিলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ২০ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভবনের নিচে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেন, যার ফলে এসব পরীক্ষা বাতিল করা হয়।
এই বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি বোর্ড এবং মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে মোট ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন পরীক্ষার্থী ছিল।
সূত্রঃ ঢাকা পোস্ট

