Type Here to Get Search Results !

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ কবে জানা যাবে

 



এইচএসসি ও সমমানের কিছু পরীক্ষার বাতিলের পর ফল প্রকাশের বিষয়টি জটিল হয়ে ওঠে, তবে অবশেষে সেই জটিলতা সমাধান হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাতিল হওয়া পরীক্ষাগুলোর ফলাফল এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে তৈরির কাজ করছে শিক্ষা বোর্ডগুলো। দ্রুতই ফল প্রকাশের আশা করা হচ্ছে।


এছাড়া, এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখ সম্পর্কে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি ইতোমধ্যেই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। ওই প্রস্তাবে অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে, অর্থাৎ ১৫-১৯ অক্টোবরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য তারিখ নির্ধারণের অনুরোধ করা হয়েছে।


আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির একজন সদস্য ও একটি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষা দুটিকে বিবেচনায় নিলে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ে বেশি সময় লাগতে পারতো, তবে শুধুমাত্র এসএসসির ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে সাবজেক্ট ম্যাপিং হওয়ার কারণে কাজটি তুলনামূলকভাবে সহজ হয়েছে। তাই অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফল প্রকাশ সম্ভব।


তিনি আরও জানান, মাঝামাঝি সময়ে উল্লেখ করা ১৫-১৯ তারিখের মধ্যে ফল প্রকাশের তারিখ চাওয়া হয়েছে। তবে দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা এবং ফাতেহা-ই-ইয়াজদাহম উপলক্ষে কলেজগুলোর ছুটি ৯-১৭ অক্টোবর পর্যন্ত রয়েছে। কলেজের ছুটির সময় যদি মন্ত্রণালয়ের কোনও আপত্তি না থাকে, তাহলে এই সময়ের মধ্যেও ফল প্রকাশ হতে পারে; অন্যথায় ১৮ অথবা ১৯ অক্টোবরের যে কোনো একদিন ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।


ফল প্রকাশের নির্দিষ্ট তারিখ সম্পর্কে জানতে চাইলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার জাগো নিউজকে জানান, অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ফল প্রকাশ করা হবে, তবে সুনির্দিষ্ট তারিখ এখন বলা সম্ভব নয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চূড়ান্ত নির্দেশনা পেলে নির্দিষ্ট তারিখ জানানো যাবে।


গত ৩০ জুন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়, যেখানে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। প্রথম দফায় প্রকাশিত রুটিন অনুযায়ী ৮ দিন পরীক্ষা হওয়ার পর কোটা সংস্কার আন্দোলনের কারণে ১৮ জুলাইয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। এরপর তিন দফায় পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।


সূচি অনুযায়ী মোট ৬১ বিষয়ের পরীক্ষা বাকি ছিল। বিভিন্ন বিভাগের (বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য) বিভিন্ন বিষয় থাকায় এতগুলো পরীক্ষা স্থগিত এবং পরে ছাত্রদের দাবির মুখে তা বাতিল করা হয়। এর ফলে কিছু পরীক্ষার্থীর পাঁচ এবং কিছু পরীক্ষার্থীর ছয় বিষয়ের পরীক্ষা বাতিল হয়েছে, এবং এসএসসির ফলাফলের ভিত্তিতে গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে। যেসব বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেগুলোর খাতা মূল্যায়নের মাধ্যমে নম্বর ও গ্রেড পয়েন্ট নির্ধারণ করা হবে।


সুত্রঃ জাগো নিউজ 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ
* Please Don't Spam Here. All the Comments are Reviewed by Admin.

Top Post Ad

Below Post Ad

Ads Area